এপ্রিল ১৭, ২০২৪ ১১:৫৪ পূর্বাহ্ণ

চট্টগ্রামের ডিপ টিউবওয়েল থেকে পানি তুলে দিতে হবে ফি

গভীর নলকূপ থেকে তোলা পানির ফি দিতে হবে

চট্টগ্রাম ওয়াসা থেকে অনুমোদন নিয়ে নগরীর যেসব ভবন মালিকরা গভীর নলকূপ বাসিয়েছেন এবার এসব থেকে উত্তোলিত পানির দাম দিতে হবে ওয়াসাকে। আগে নগরীর ভবন মালিকরা শুধুমাত্র ওয়াসা থেকে অনুমোদন নিয়ে (অনুমোদন ফি দিয়ে) গভীর নলকূপ বসাতে পারতেন। তারপর বছর বছর লাইসেন্স নবায়ন ফি দিলে হয়ে যেত। ভূগর্ভস্থ থেকে উত্তোলিত পানির জন্য কোনো ফি দিতে হতো না। এখন থেকে গভীর নলকূপের মাধ্যমে উত্তোলিত পানির জন্য ওয়াসাকে ফি দিতে হবে নগরবাসীকে। গতকাল বুধবার চট্টগ্রাম ওয়াসা বোর্ডের ৭১ তম সাধারণ সভায় গ্রাহকদের নলকূপের পানিতে মূল্য বেধে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। চট্টগ্রাম ওয়াসার অনুমোদনপ্রাপ্ত ৪ হাজার ৩০০ গভীর নলকূপ থেকে উত্তোলন করা পানির জন্যও এবার গ্রহকদের গুণতে হবে টাকা, যা আগে ছিল না। নলকূপ থেকে উত্তোলিত পানির প্রস্তাবিত মূল্য আবাসিকের ক্ষেত্রে প্রতি ইউনিট ৬ টাকা। আর অনাবাসিক ১২ টাকা ৩৪ পয়সা। ওয়াসার এই সিদ্ধান্তে নগরীর ভবন মালিকরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমার প্রথমে ওয়াসা থেকে গভীর নলকূপ স্থাপনের জন্য অনুমোদন ফি দিয়েছি। আবার বছর বছর লাইসেন্স নবায়ন ফি দিচ্ছি। এখন যদি আবার উত্তোলিত পানির বিলও পরিশোধ করতে হয় তাহলে তো আমার উপর বড় ধরনের চাপ পড়বে। পানি তুলতে বিদ্যুৎ খরচ হচ্ছে। এতে মোটা অঙ্কের বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে গ্রাহকদের। এত কিছুর পর আবার উত্তোলিত পানির ওপর মূল্য নির্ধারণ করে দেওয়া মড়ার ওপর খাড়ার ঘা ছাড়া আর কিছুই নয়।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম ওয়াসার এক কর্মকর্তা জানান, এটা মূলত ভূগর্ভস্থ থেকে পানি উত্তোলনকে নিরুৎসাহিত করার জন্যই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ওয়াসার বোর্ড সভায় উপস্থিত কয়েকজন মেম্বার জানান, পানি সরবরাহ ও পয়োনিষ্কাশন কর্তৃপক্ষ আইন ১৯৯৬ এর ২৪ এর উপ–ধারা ২ অনুযায়ী প্রদত্ত ক্ষমতাবলে চট্টগ্রাম ওয়াসা পানির মূল্য নির্ধারণ করার সিদ্ধান্ত হয়। পানির এই বাড়তি মূল্য আগামী বছরের ১ মার্চ থেকে কার্যকর হবে। বোর্ড চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত সিদ্ধান্তে এই তথ্য জানানো হয়।
Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn