এপ্রিল ১৭, ২০২৪ ১১:৪৮ পূর্বাহ্ণ

সিলিন্ডার বিস্ফোরণে রাঙ্গামাটিতে বাবা ছেলে নিহত

রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার কাপ্তাই উপজেলায় ভয়াবহ বিষ্ফোরণে পিতা এবং পুত্রের মৃত্যু হয়েছে। তাদের নাম মো. ইসমাইল মিয়া (৪৫) এবং তার ছেলে মো. রিফাত হোসেন (৭) বলে জানা গেছে।

এই ঘটনায় রিফাতের মা সখিনা বেগম (৩৫) মারাত্মক আহত হয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার (৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টার সময় ৪নং কাপ্তাই ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বাদশা মাঝির টিলা নামক এলাকায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সন্ধ্যার সময় হঠাৎ ইসমাইল মিয়ার বাসা থেকে বিষ্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। এসময় ঘরে আগুনের ফুল্কিও দেখা যায়। বিকট শব্দে বিষ্ফোরণের শব্দ শুনে স্থানীয় লোকজন ভয় পেলেও পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে পিতা ইসমাইল মিয়া, পুত্র রিফাত এবং রিফাতের মা সখিনা বেগমকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পায়। তবে কীসের বিষ্ফোরণ ঘটেছে তা তাৎক্ষণিক জানা যায়নি।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কাপ্তাই সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) রওশন আরা রব বলেন, “দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার সাথে সাথে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। একই সাথে দমকল বাহিনীর লোকজনও ঘটনাস্থলে আসে। বিষ্ফোরণের কারণে দুর্ঘটনা ঘটলে কীসের বিষ্ফোরণ হয়েছে তাৎক্ষণিক তিনি জানাতে পারেননি। বোমা বিষ্ফোরণ নাকি অন্য কোনো বিষ্ফোরণের ঘটনা তা নিশ্চিত হতে বোমা বিশেষজ্ঞকে খবর দেওয়া হয়েছে। বোমা বিশেষজ্ঞ আসলেই সঠিক তথ্য জানা যাবে।

পুলিশ ও দমকল বাহিনীর লোকজন রক্তাক্ত অবস্থায় তিনজনকে উদ্ধার করে কাপ্তাই উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যান।

উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রের আবাসিক চিকিৎসক ডা. মো. ওমর ফারুক রনি বলেন, “তিনজনকে রক্তাক্ত অবস্থায় আনা হলেও পিতা-পুত্রকে আমরা মৃত অবস্থায় পাই। আর সখিনা বেগমের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে দ্রুত চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর জন্য রেফার করি।”

রাত নয়টায় এই খবর লেখা পর্যন্ত কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুনতাসির জাহান স্বাস্থ্য কেন্দ্রে অবস্থান করছিলেন।

কাপ্তাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল লতিফ বলেন, “বিষ্ফোরণে মৃত ইসমাইল একজন দিনমজুর। তার পরিবার একটি অতি সাধারণ পরিবার বলে আমরা জানি। তবে ঘটনাটি বিষ্ফোরণ কি না তা যাচাই করার জন্য সেনাবাহিনীর বিশেষজ্ঞরা আসছেন। ঘটনা যাচাই করার পর সেনাবাহিনীর কাছ থেকে প্রকৃত তথ্য পাওয়া যাবে।”

এই বিষ্ফোরণের আসল কারণ কী তা নিশ্চিত হতে ঘটনাস্থলে যৌথবাহিনী অবস্থান করছে বলে জানা গেছে।

সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ও স্বাভাবিক

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn