এপ্রিল ১৭, ২০২৪ ১০:৫২ পূর্বাহ্ণ

নগর ভবন ঘেরাও কর্মসূচিতে বাধা হামলা

চট্টলার কণ্ঠ,  নিউজ ডেস্ক।

পুলিশ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের বাধায় পূর্ব ঘোষিত ‘নগর ভবন ঘেরাও’ করতে পারেনি চট্টগ্রাম করদাতা সুরক্ষা পরিষদ। গতকাল বুধবার দুপুর ১২টার দিকে কদমতলী থেকে মিছিল নিয়ে টাইগারপাস মোড়ে পৌঁছুলে সংগঠনটির নেতাকর্মীদের বাধা দেয় পুলিশ। পরে সংগঠনটির চারজন প্রতিনিধি চার দফা দাবি সম্বলিত স্মারকলিপি নিয়ে অদূরে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের অস্থায়ী কার্যালয়ে যান। এসময় টাইগারপাস মোড়ে সংগঠনের সভাপতি নুরুল আবছারের নেতৃত্বে অবস্থানরত বাকি নেতাকর্মীদের উপর মেয়রের নামে স্লোগান নিয়ে আসা একটি মিছিল থেকে হামলা করা হয়। এতে সুরক্ষা পরিষদের পাঁচ কর্মী আহত হন। হামলার জন্য নগর স্বেচ্ছাসেবক লীগকে দায়ী করেছে সুরক্ষা পরিষদ। তবে হামলার বিষয়টি অস্বীকার করে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতৃবৃন্দ। দায় নেননি মেয়রও।

ঘটনায় আহতরা হচ্ছেন রাশেদ আমির, ইমতিয়াজ দিদার, মোহাম্মদ রানা, নেজামত আলি ও মো. হারুন। তাদের মাথা ফেটে গেছে। একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন তারা। বিষয়টি নিশ্চিত করে করদাতা সুরক্ষা পরিষদের সহ–সাধারণ সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদাউস পপি আজাদীকে বলেন, স্মারকলিপি দেয়ার জন্য আমাদের চার সদস্যের প্রতিনিধি দল মেয়র দপ্তরে যায়। তখন বাকিরা টাইগার পাস মোড়ে অবস্থান করছিল। সেখানে নগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি দেবাশীষ নাথ দেবু ও সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমানের নেতৃত্বে একটি মিছিল আসে। তারা মেয়রের নামে স্লোগান দিতে দিতে হামলা করেছে। হামলাকারীরা বড় বড় ইটের টুকরো নিক্ষেপ করে। পরে অবশ্য পুলিশ তাদের সরিয়ে দেয়। হামলার ঘটনায় জিডি করবেন বলেও জানান তিনি। অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে নগর স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি দেবাশীষ নাথ দেবু দৈনিক আজাদীকে বলেন, চান্দগাঁওয়ে আমাদের প্রোগ্রাম আছে। মেয়রকে সেটার দাওয়াত দেয়ার জন্য গিয়েছিলাম। আমাদের কেউ কোনো মিছিল করেনি। আমাদের কেউ হামলাও করেনি। তিনি বলেন, সেখানে তো অনেকেই মিছিল করেছে। তাদের কেউ করেছে কীনা জানি না।

মেয়রের পক্ষে স্লোগান দেয়া এবং হামলা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সিটি মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, প্রথম থেকে এ পর্যন্ত আমি কাউকে এখানে এসে স্লোগান দিতে বলিনি। আপনার জানেন আমি একটা পার্টির নেতা। মেয়রও মনোনয়ন দিয়েছে একটি পার্টি। স্বাভাবিকভাবে মেয়রকে যদি কেউ চ্যালেঞ্জ করে তখন স্ব উদ্যোগে কেউ যদি জড়ো হয় তখন আমার তো করার কিছু থাকে না। খুলশী থানার ওসি সন্তোষ চাকমা বলেন, একটা মিছিল এসেছিল। তাদের আমরা ফিরিয়ে দিয়েছি। একজন আহত হয়েছে বলে শুনেছি।

বাধার মুখে আন্দোলনকারীরা : সকাল ১১টার দিকে কদমতলী আবুল খায়ের চত্বরে জড়ো হন আন্দোলনকারীরা। পরে সেখান থেকে ব্যানার ফেস্টুন সহকারে মিছিল নিয়ে টাইগারপসস্থ নগর ভবনের অস্থায়ী কার্যালয়ের দিকে রাওয়ানা হন তারা। এসময় তাদের সামনে সতর্ক অবস্থানে ছিল পুলিশ। দেওয়ান হাট ব্রিজ হয়ে টাইগারপাস মোড়ে পৌঁছান তারা। আমবাগান সড়ক হয়ে তারা চসিক কার্যালয়ের দিকে যেতে চাইলে মোড়ে বাধা দেয় পুলিশ। এসময় পুলিশের সঙ্গে বাগবিতণ্ডা হয় আন্দোলনকারীদের। এসময় আন্দোলকারী নেতৃবৃন্দ মেয়রের কাছে স্মারকলিপি দেয়ার কথা জানায় পুলিশকে। পরে পুলিশ আন্দোলনকারীদের পক্ষে প্রতিনিধি দল গিয়ে স্মারকলিপি পৌঁছে দেয়ার কথা বলেন। পরে দুই পক্ষের আলোচনায় চার সদস্যের প্রতিনিধি দল যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এর আগে সেখানে করদাতা সুরক্ষা পরিষদের সভাপতি মো. নুরুল আবছার বলেন, আমরা বয়ষ্ক। কোনো তরুণ নয় যে বিশৃঙ্খলা করব। শান্তিপূর্ণভাবে আমরা নগর ভবনে পৌঁছে স্মারকলিপি দেব।

এসময় মোড়ের উত্তর পাশে এমইএস কলেজ ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ কর্মীদের একটি দল মেয়রের পক্ষে অবস্থানে ছিল। তারা করদাতা সুরক্ষা পরিষদের বিরুদ্ধে মিছিল করে। আন্দোলনকারীদের বাধা দেয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের সরিয়ে দেয়। একই সময় চসিক কার্যালয়ের সামনে ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের কয়েকটি গ্রুপ অবস্থানে ছিল। নগর ভবনের সামনে চসিক শ্রমিক কর্মচারী লীগের কয়েক নেতাকর্মীকেও দেখা গেছে। সেখানে নগর ভবনের সামনে পাহাড়তলী ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও লালখান বাজার ওয়ার্ড কাউন্সিলরের নামেও স্লোগান দিতে দেখা গেছে।

নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ–কমিশনার নোবেল চাকমা উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, নগর ভবন ঘেরাওয়ের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দুটি পক্ষ মুখোমুখি অবস্থান নিয়েছে। তাই অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পরিষদকে নগর ভবনে যেতে দেওয়া হয়নি। পুলিশ দুই পক্ষের মধ্যখানে অবস্থান নেয়।

মেয়র দেখা করেন নি: বেলা ১ টার দিকে পুলিশ পাহাড়ায় করদাতা সুরক্ষা পরিষদের সিনিয়র সহ–সভাপতি আব্দুল মালেক, সহ–সভাপতি ইসমাইল মনু, সহ–সাধারণ সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদাউস পপি ও মুখপাত্র কাজী শহীদুল হক স্বপন টাইগারপাসস্থ চসিক কার্যালয়ে যান। টাইগার পাস–লালখান বাজার সড়ক হয়ে বাটালি হিল রোড দিয়ে যান তারা। এসময় তাদের পিছে পিছে মেয়রের নামে স্লোগান দিতে চসিক কার্যালয়ের প্রধান ফটক পর্যন্ত পৌঁছান ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতাকর্মীরা। স্মারকলিপি দিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার সময়ও সুরক্ষা পরিষদের প্রতিনিধিদের পিছে পিছে স্লোগান দিয়েছে তারা। এসময় মিছিলকারীরা দাবি করেন করদাতা সুরক্ষা পরিষদের নেতাকর্মীরা বিএনপি ও জামায়াতের মদদপুষ্ট হয়ে আন্দোলন করছে।

এদিকে স্মারকলিপি দেয়ার সময় চসিক কার্যালয়ে পৌঁছার পর তাদের মেয়রের দপ্তরের পরিবর্তে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলামের কক্ষে নিয়ে যাওয়া হয়। এসময় সামনের নিজ কক্ষে মেয়র অবস্থান করলেও করদাতা সুরক্ষা পরিষদের নেতৃবৃন্দকে জানানো হয় মেয়র কক্ষে নেই। সুরক্ষা পরিষদের নেতৃবৃন্দ প্রধান নির্বাহীকে স্মারকলিপি তুলে দিয়ে তাদের দাবির পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন। এসময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন চসিক সচিব খালেদ মাহমুদ, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম এবং মেয়রের একান্ত সচিব আবুল হাশেম।

এসময় করদাতা সুরক্ষা পরিষদের মুখপাত্র কাজী শহীদুল হক স্বপন বলেন, আমরা দাবি জানাতে এসেছি। কর্মসূচি ঘোষণার সময়ই বলেছি আমরা নগর ভবনে এসে স্মারকলিপি দিব। আমরা সবাই বয়স্ক মানুষ, কোনো সংঘাত করতে আসিনি। কিন্তু পুলিশ আমাদের বাধা দিল। তখন চসিক প্রধান নির্বাহী বলেন, আপনারা আগে কখনও মেয়র মহোদয়ের সাথে দেখা করতে আসেননি। উনার দরজা সবার জন্য খোলা। চিঠি দিতে বা ডাকতে হয় না। এরকম দেখা করতে আসলেই পারতেন। আপনারা সরাসরি ঘেরাও করতে এসেছেন। আপনাদের সাথে আমাদের দেখা করা বা কথা বলারই কথা না। তবু বলছি। আমরাও তো আপনাদের সন্তান। ঘেরাওয়ের মতো কর্মসূচিতে আমরা শঙ্কিত। শহরের আয়তন প্রতিদিন বাড়ছে। রাজস্বের টাকাতেই আমাদের বেতন হয়, সিটি কর্পোরেশন চলে, আপনাদের সেবা দিই। আমাদের ৯২টা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ৫৬ টা স্বাস্থ্য কেন্দ্র চলে। অন্য সিটি করপোরেশনে ২৬ শতাংশ পর্যন্ত গৃহকর বেড়েছে।

এরপর জান্নাতুল ফেরদাউস পপি বলেন, পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে আমরা আন্দোলন করছি। আগের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন চিঠি দিয়ে আমাদের আলোচনায় ডেকেছিলেন। বর্তমান মেয়র কখনও ডাকেননি। আজকে আমরা আসব সেটা মেয়র জানতেন। উনি এখন কেন নেই, সেটা আমরা জানি না।

তখন আবুল হাশেম বলেন, আমি নিজেই আলোচনার জন্য মেয়রের পক্ষে কল দিয়েছিলাম আপনাদের সভাপতিকে। আপনারা সাড়া দেন নি। আলোচনায় বসেননি। অথচ বাইরে বাইরে সভা করে মানুষকে বিভ্রান্ত করছেন। আপনারা অফিস ঘেরাও করতে এসেছেন। আপনাদের সঙ্গে আমাদের কথা বলা উচিত না, তারপরও বলছি। তিনি বলেন, দুই লক্ষ চার হাজারের বিপরীতে ৬৬ হাজার হোল্ডিংয়ের জন্য আপিল করেছেন। তারা মানে যারা আপিল করেন নি তারা এসেসমেন্টে সন্তুষ্ট।

এসময় করদাতা সুরক্ষা পরিষদের এক নেতা করবিধি–১৯৮৬ কে কালো আইন বলে অবিহিত করলে এর প্রতিবাদ জানান মেয়রের পিএস। তিনি বলেন, এটা কালো আইন না। সরকারি আইন। তাছাড়া আপনারা গৃহকর আপিলে ঘুষ বাণিজ্যের কথা ঢালাও ভাবে বলছেন। অথচ ব্যবস্থা নিয়েছি আমরা। ব্যবস্থা না নিলে আমাদের রাজস্ব বিভাগের কর্মচারীদের চাকরি গেল কীভাবে? এসময় স্বপন বলেন, অটোমেশনের জন্য এসেসমেন্ট স্থগিত করেছিল। আপনার অটোমেশন করেনি। প্রতিত্তুরে চসিক সচিব বলেন, অটোমেশন কার্যক্রম চলমান আছে। আপনাদের আগে বসা উচিত ছিল। আলোচনা ন্যায়সঙ্গত দাবি মানা না হলে তখন কর্মসূচি দিতে পারতেন। আজকের আন্দোলনের যৌক্তিতা সঠিক হয়নি। আইন ও বিধির কোথায় ব্যত্যয় ঘটেছে জানান।

সবশেষে চসিক প্রধান নির্বাহী বলেন, আপনাদের স্মারকলিপি মেয়রের পক্ষে গ্রহণ করলাম। সেটা পৌঁছে দিব। তবে আপনারা যেসব দাবি নিয়ে এসেছেন তারমধ্যে প্রথম দুটি মেয়রের এখতিয়ারে নেই। তৃতীয় ঘুষ বাণিজ্যের কথা বলেছেন। আমি দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিনেই মেয়র মহোদয় আমাকে বলে দিয়েছেন, এ বিষয়ে দেখতে। সেটা দেখছি। আর নাগরিক সেবায় গণশুনানি চেয়েছেন, সেটা আমরা দেখব। আপনাদের দাবির বিষয়ে আমি মেয়র মহোদয়কে জানাব।

কী বলছে সুরক্ষা পরিষদ : স্মারকলিপি দেওয়ার পর বেরিয়ে যাওয়ার সময় পরিষদের সহ সাধারণ সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদাউস বলেন, নগর পিতা হিসেবে উনি মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করতে পারেন যাতে নতুন করে মূল্যায়ন করা হয়। আমরা কয়েকদিন অপেক্ষা করব। উনি ঘোষণা দিক, উনি কী উদ্যোগ নিয়েছেন বা করবেন। তারপর পরবর্তী কর্মসূচি জানাব। গতকাল সন্ধ্যায় তিনি আজাদীকে বলেন, আগামীকাল (আজ) সংবাদ সম্মেলন করে পরবর্তী কর্মসূচি জানিয়ে দেয়া হবে।

সংগঠনের সভাপতি নুরুল আবছার বলেন, মেয়র চাইলে আজকে কথা বলতে পারতেন। মেয়রের পক্ষের লোকজন তাকে জামায়াতের ঘনিষ্ট দাবি করা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বলেন, আমি জামায়াতের লোক হলে মেয়র তার নির্বাচনী প্রচারণায় আমার বাড়িতে কেন গিয়েছিলেন।

নগর ভবনে তালা : গতকাল সকালে টাইগারপাসস্থ চসিক কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে প্রধান ফটকে তালা দেখা গেছে। করদাতা সুরক্ষা পরিষদের আন্দোলনের জন্য সকাল ৯টায় এ তালা ঝুলিয়ে দেয় চসিক কর্তৃপক্ষ। পরে সেখানে মেয়রের পক্ষে ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের কর্মীরা এলে সাড়ে ১০টার দিকে তালা খুলে দেয়া হয়। এর আগে তালা লাগানো থাকায় চসিকের অনেক কর্মচারীও কার্যালয়ে প্রবেশ করতে পারেনি। ঢুকতে পারেননি কোনো দর্শনার্থীও।

আন্দোলনের সূচনা : মেয়রের প্রস্তাবে মন্ত্রণালয় স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করায় ২০১৭ সালের পঞ্চবার্ষিকী কর পুর্নমূল্যায়নের (রি–এসেসমেন্ট) আলোকে ২০২২ সালের ১ জুলাই থেকে কর আদায়ে কার্যক্রম শুরু করে চসিক। যার প্রতিবাদ জানিয়ে একই বছরের ২৩ আগস্ট থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছে চট্টগ্রাম করদাতা সুরক্ষা পরিষদ। সর্বশেষ গত ৩০ জানুয়ারি কদমতলীর সমাবেশ থেকে নগর ভবন ঘেরাও কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। এরপর গত সোমবার চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে কর্মসূচি বহাল থাকার জানায় সংগঠনটির নেতারা। পরে মঙ্গলবার ‘চট্টগ্রাম সচেতন নাগরিক সমাজ’ এর ব্যানারে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে মেয়রের পক্ষে আয়োজিত মানববন্ধন থেকে ঘোষণা দেয়া হয়, তারাও চসিক কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করবে। মানববন্ধনের নেতৃত্বে ছিলেন ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের কর্মীরা।

প্রসঙ্গত, চসিকের পঞ্চবার্ষিকী কর পুনর্মূল্যায়ন শেষে ২০১৭–২০১৮ অর্থ বছরে নগরের সরকারি–বেসরকারি এক লক্ষ ৮৫ হাজার ২৪৮টি হোল্ডিংয়ের বিপরীতে ৮৫১ কোটি ৩০ লাখ ৬৪ হাজার ৫৫৯ টাকা পৌরকর আদায়ের প্রস্তাব করা হয়। যা পূর্বে ছিল ১৩১ কোটি ৯১ লাখ ৮৭ হাজার ৪১ টাকা। অর্থাৎ এক লাফে ৫৪৫ দশমিক ৩২ শতাংশ গৃহকর বৃদ্ধি পায়। করদাতারা বলছেন, পূর্বে ভবনের মূল্যায়ন করা হত বর্গফুটের ভিত্তিতে। কিন্তু ২০১৭–২০১৮ অর্থ বছরে রি–অ্যাসেসমেন্ট করা হয় ভবনের ভাড়া বা আয়ের বিপরীতে। এতে এক লাফে কর বহুগুণে বেড়ে গিয়েছিল।

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn