ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৪ ২:৪৪ পূর্বাহ্ণ

লালদিঘী মাঠেই হবে জব্বারের বলি খেলা

চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক লালদীঘি মাঠেই হতে যাচ্ছে আব্দুল জব্বারের বলীখেলা। গত বছর মাঠের সামনে গোলচত্বরে বলীখেলার আয়োজন করা হয়েছিল। এবছরও সিদ্ধান্ত ছিল তা–ই। কিন্তু শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের হস্তক্ষেপে এবার বলীখেলা অনুষ্ঠিত হবে তার প্রিয় ভেন্যু লালদীঘির মাঠে। গতকাল রোববার দুপুরে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের সঙ্গে সাক্ষাত করেন আব্দুল জব্বার স্মৃতি কুস্তি প্রতিযোগিতা কমিটির কর্মকর্তারা। এ সময় উপমন্ত্রী তাদের সার্বিক সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দিয়ে লালদীঘি ময়দানেই বলীখেলার আয়োজন করতে বলেন।

জানতে চাইলে আব্দুল জব্বারের বলীখেলা ও বৈশাখী মেলা কমিটির সভাপতি স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর জহরলাল হাজারী আজাদীকে বলেন, ২৫ এপ্রিল লালদীঘি ময়দানেই বলীখেলা হবে। ২৪ এপ্রিল থেকে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত বৈশাখী মেলা হবে। তবে মাঠে শুধু বলীখেলা হবে, সেখানে কোনো মেলা হবে না। ২৬ এপ্রিল ‘চাটগাঁইয়া ঈদ উৎসব’ হবে। উপমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে আমরা এসব সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করেছি। তিনি উপস্থিত থাকবেন বলে আমাদের জানিয়েছেন।

মেলা কমিটির সহ সভাপতি সাংবাদিক চৌধুরী ফরিদ চট্টলার কণ্ঠকে  বলেন, লালদীঘির মাঠে বলীখেলার মঞ্চ তৈরির সার্বিক প্রস্তুতি আমরা ইতোমধ্যেই শুরু করে দিয়েছি। গত বছর মাঠের বাইরে হলেও এবার মাঠেই হবে বলীখেলা।

উপমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতে মেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক শওকত আনোয়ার বাদল, মুসলিম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মমতাজ আকতার, আকতার আনোয়ার, বলরাম চক্রবর্তী ও তাপস দে উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, করোনা সংক্রমণের কারণে ২০২০ ও ২০২১ সালে বলীখেলা ও বৈশাখী মেলা অনুষ্ঠিত হয়নি। করোনা কাটিয়ে ২০২২ সালে জাঁকজমকভাবে ১১৩ তম আসরের প্রস্তুতি নেওয়া হলেও শেষ মুহূর্তে অনিশ্চয়তা দেখা দেয়। বলীখেলার ভেন্যু লালদীঘি মাঠ সংস্কার করে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতর বঙ্গবন্ধুর ছয় দফা ঘোষণার ইতিহাসের আলোকে স্থায়ী মঞ্চ, বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালসহ আরও কিছু স্থাপনা তৈরি করে। প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের অপেক্ষায় লালদীঘির মাঠ বন্ধ থাকায় এবং রমজান বিবেচনায় নিয়ে বলীখেলা ও মেলা স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছিল কমিটি। এ নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়ার মুখে সিটি মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরীর তত্ত্বাবধানে লালদীঘি মাঠের পরিবর্তে গোলচত্বরে বলীখেলা অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

এবার ১১৪তম আসরও লালদীঘি ময়দানের পরিবর্তে গোলচত্বরে করার ঘোষণা দেওয়া হলে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। কারণ, লালদীঘি ময়দান গত ডিসেম্বরে প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধনের পর উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn