ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৪ ১২:৫০ অপরাহ্ণ

কেমন হবে ভোটের সমীকরণ

ইমরুল কায়েস সজীব।

প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র দাখিলের পর বাছাই শেষে এখন চলছে আসনভিত্তিক ভোটের সমীকরণ। যে সব আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর বিপরীতে দলের শক্ত স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন সেখানে জয়লাভের ব্যাপারে উভয় প্রার্থী এবং তাদের কর্মী–সমর্থকরা নানামুখী সমীকরণে ব্যস্ত রয়েছেন। ভোটারদের মন জয়ে চলছে নানা ধরনের চেষ্টা। বিশেষ করে নির্বাচনী এলাকার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, মেম্বার, পৌর মেয়র, কাউন্সিলর, উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যানদের নিজেদের পক্ষে মাঠে নামানোর নানামুখী চেষ্টা চলছে দলীয় প্রার্থীদের পাশাপাশি স্বতন্ত্র প্রার্থীদের। এবার দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে প্রায় আসনে (চট্টগ্রাম–৭, চট্টগ্রাম–৬, চট্টগ্রাম–৯, চট্টগ্রাম–১৩ ছাড়া) দলের শক্ত হেভিওয়েট স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামায় ভোটের মাঠের হাওয়া পাল্টে যাওয়া শুরু করেছে। অনেক আসনে মাঠ পর্যায়ে দলীয় প্রার্থীর চেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থীর জনপ্রিয়তা বেশি। এই কারণে দিনদিন চিত্র পাল্টে যেতে পারে। ধীরে ধীরে পাল্টে যেতে পারে চট্টগ্রামের ১২ আসনের ভোটের সমীকরণও।

চট্টগ্রামের ১৬ আসনের মধ্যে কোন কোন আসন জোটের শরীক এবং মিত্র দলগুলোকে ছেড়ে দেয়া হবে তা অনেকটা নিশ্চিত হয়ে উঠছে। যে আসনগুলো জোটের শরীক এবং মিত্র দলকে ছেড়ে দেয়া হবে; সেই আসনগুলোতে আওয়ামী লীগের মূল প্রার্থীকে নামিয়ে দেয়া হলেও আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থীরা নামবেন বলে অবস্থা দৃষ্টে মনে হচ্ছে না। সুতরাং জোটের শরীক এবং মিত্র দলের প্রার্থীরা গত তিনটি নির্বাচনের মতো এবার আওয়ামী লীগের বিশাল ভোট ব্যাংক নিয়ে ফ্রি স্টাইলে নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটা কম।

গত নবম–দশম এবং একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রামের ১৬ আসনের মধ্যে যে আসন জোট এবং শরীকদের ছেড়ে দেয়া হয়েছিল এবং জোটের প্রার্থী সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন–এবার সেই আসনগুলোতেও আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন এবং বাছাইয়েও টিকে গেছেন। বিশেষ করে চট্টগ্রামের ১৬ আসনের মধ্যে চট্টগ্রাম–২ ফটিকছড়ি আসনটি দশম এবং একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জোটের শরীক দল তরিকত ফেডারেশনকে ছেড়ে দেয়া হয়েছিল। দুইবারই তরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী নৌকা নিয়ে নির্বাচিত হয়েছিলেন। এবার এই আসনটিতে তরিকত ফেডারেশনের সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারীর প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আওয়ামী লীগের প্রার্থী খাদিজাতুল আনোয়ার সনি রয়েছেন। দল থেকে খাদিজাতুল আনোয়ার সনিকে মনোনয়ন দেয়া হলেও নজিবুল বশর মাইজভান্ডারীর আরেক প্রতিদ্বন্দ্বী আছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আওয়ামী লীগের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান হোসাইন আবু তৈয়ব। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে তার মনোনয়নপত্র টিকে গেছেন। এই আসনে সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারীর আরো এক শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছেন তার ভাতিজা বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ।

অপরদিকে চট্টগ্রাম–৫ হাটহাজারী আসনটি নবম, দশম ও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টিকে ছেড়ে দেয়া হয়েছিল। তিনবারই এই আসন থেকে জাতীয় পার্টির হেভিওয়েট প্রার্থী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। এবার এই আসনে আওয়ামী লীগ থেকে প্রার্থী দেয়া হয়েছে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম এ সালামকে। এই আসনে আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মুহাম্মদ শাহজাহান চৌধুরী ও অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ নাছির হায়দার করিমও মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। কিন্তু স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে এক শতাংশ ভোটারের তথ্যের গরমিলের কারণে তাদের মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে বাতিল হলেও তারা নির্বাচন কমিশনের আপিল বোর্ডে আপিল করেছেন। এই আসনটি অতীতের মতো এবারও জাতীয় পার্টির হেভিওয়েট প্রার্থী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদকে ছেড়ে দেয়া হলে এবং আপিলে স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ শাহজাহান চৌধুরী ও অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ নাছির হায়দার করিম তাদের প্রার্থিতা ফিরে পেলে ব্যারিস্টার আনিসের সাথে শাহজাহান চৌধুরী এবং নাছির হায়দার করিমের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে পারে।

চট্টগ্রাম–৮ (বোয়ালখালী–চান্দগাঁও) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বর্তমান সংসদ সদস্য নোমান আল মাহমুদ। এই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে

মহানগর আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ ও চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সাবেক চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম মনোনয়নপত্র জমা দিলেও এক শতাংশ ভোটারের গরমিলের কারণে বাছাইয়ে তার মনোনয়নপত্র বাতিল হলেও তিনি প্রার্থিতা ফিরে পেতে নির্বাচনি আপিল বোর্ডে আপিল করেছেন। তিনি যদি প্রার্থিতা ফিরে পান তাহলে এ আসনের হিসেব–নিকেশ অন্য রকম হতে পারে বলে স্থানীয় ভোটারদের ধারণা। এদিকে এই আসনটি জাতীয় পার্টির (আওয়ামী লীগের কাছে জাতীয় পার্টির চাহিদা ৩৫ আসন) চাহিদার মধ্যে রয়েছে বলে জানিয়েছেন এই আসনের জাতীয় পার্টির প্রার্থী সোলায়মান আলম শেঠ। অপরদিকে এই আসনটি আওয়ামী লীগের মিত্র দল বিএনএফও দাবি করেছে। বিএনএফ–এর চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এস এম আবুল কালাম আজাদ এই আসন থেকে মনোনয়ন নিয়েছেন এবং তার মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে। বিএনএফ চেয়ারম্যান এস এম আবুল কালাম আজাদ আজাদীকে বলেন, তার দল চট্টগ্রাম–৮, ঢাকা–১৭ এবং ঢাকা–১৮ এই আসন চেয়েছে। যে কোনো একটি পাবে বলে তিনি আজাদীকে জানান। তবে তার চাহিদা নিজ গ্রামের এলাকা চট্টগ্রাম–৮। আওয়ামী লীগ যদি এই আসনটি মিত্রদের ছেড়ে না দেয় তাহলে এক ধরনের নির্বাচনী সমীকরণ করছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। যদি মিত্র যে কোনো এক দলকে এই আসনটি ছেড়ে দেয়া হয় তাহলে হেভিওয়েট স্বতন্ত্র প্রার্থীরা অন্যভাবে ভোটের হিসেবে কষবেন। আওয়ামী লীগ প্রার্থী ঠিক থাকলে দলের স্বতন্ত্র প্রার্থীদের সাথে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে। আর মিত্রদের কাউকে ছেড়ে দেয়া হলে আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থী নির্বিঘ্নে জয়ী হওয়ার হিসাব কষছেন। এই আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ১৫ হাজার ৫৭৩জন। আসনে নগরীর ৩ নম্বর, ৪ নম্বর, ৫ নম্বর, ৬ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডে সবচেয়ে ভোট বেশি। কেউ নগরীর ভোট এবং কেউ বোয়ালখালীর ভোট আয়ত্তে নেয়ার চিন্তা ভাবনা করছেন।

চট্টগ্রাম–১০ (ডবলমুরিং–হালিশহর) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বতর্মান সংসদ সদস্য মহিউদ্দিন বাচ্চুর সাথে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক মেয়র ও নগর আওয়ামী লীগের প্রয়াত সভাপতি এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর খুবই ঘনিষ্টজন এক সময়ের ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মনজুর আলম। আওয়ামী লীগের প্রার্থীর সাথে স্বতন্ত্র প্রার্থী মনজুর আলমের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৮৫ হাজার ৮০৩জন। উভয় হেভিওয়েট প্রার্থী ওয়ার্ড এবং ইউনিটের ভোট কেন্দ্র অনুযায়ী ভোটের হিসাব কষতে এখন থেকেই ব্যস্ত সময় পার করছেন।

চট্টগ্রাম–১১ (বন্দর–পতেঙ্গা) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বর্তমান সংসদ সদস্য এম আবদুল লতিফের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মাঠে লড়ছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও কাউন্সিলর জিয়াউল হক সুমন। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে তার মনোনয়নপত্র বৈধ হওয়ার পর থেকে এই আসনটি এখন আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে পরিণত হয়েছে। নগর আওয়ামী লীগের প্রায় নেতাকর্মী স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে। মহানগর আওয়ামী লীগ ইতোমধ্যে দলের সভায় আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে কেন্দ্রের কাছে চিঠিও পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই কারণে দলের প্রার্থী এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ভোটের সমীকরণ নিয়ে এখন থেকেই ব্যস্ত হয়ে উঠেছেন। এই আসনে ৫ লাখ ১৮৫২ ভোটার।

চট্টগ্রাম–১২ (পটিয়া) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরীর সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আছেন এই আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী বতর্মান সংসদ সদস্য, জাতীয় সংসদের হুইপ সামশুল হক চৌধুরী। ১৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার ৩ লাখ ২৯ হাজার ৪২৮ ভোটারকে ঘিরে দুই প্রার্থীর মধ্যে চলছে নানা সমীকরণ। মূলত ১৭টি ইউনিয়নের মধ্যে দুই হেভিওয়েট প্রার্থীর মধ্যে কে কোন ইউনিয়নের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে পারেন তা নিয়ে এখন থেকেই প্রার্থীদের পাশাপাশি নিজেদের কর্মী–সমর্থকদের মধ্যেও চলছে নানামুখী জল্পনা। মূলত মাঠ পর্যায়ে যার শক্ত অবস্থান রয়েছে নির্বাচনে তার পাল্লা ভারী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

চট্টগ্রাম–১৪ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ও বর্তমান সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম চৌধুরীর পাশাপাশি এই আসনে এবার নিজ দলের স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুল জব্বারও নির্বাচনী মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অবতীর্ণ হয়েছেন। গত দুটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী অনেকটা সহজেই জয়ী হয়েছিলেন। এবার দলের প্রার্থী এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী উভয়েই জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী বলে জানা গেছে। এলাকার ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, এবার নিজ দলের মধ্যেই শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। দলের কর্মী–সমর্থকরাও ভাগ হয়ে যাচ্ছেন।

চট্টগ্রাম–১৫ লোহাগাড়া–সাতাকানিয়া আসনের আওয়ামী লীগের প্রার্থী ও বর্তমান সংসদ সদস্য আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভী পরপর দুইবার এই আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছেন। এবার এই আসনে তার প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুল মোতালেবও মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। কিন্তু বাছাইকালে এক শতাংশ ভোটারের তথ্যের গরমিলের কারণে তার মনোনয়নপত্র বাতিল হয়ে যায়। কিন্তু তিনি প্রার্থিতা ফিরে পেতে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেছেন। আপিলে প্রার্থিতা ফিরে পেলে এবার এই আসনে দলীয় প্রার্থীর সাথে দলের স্বতন্ত্র প্রার্থীর শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই কারণে এখন থেকে এই আসনের ভোটের হিসাব মেলাতে ব্যস্ত প্রার্থী এবং তাদের কর্মী–সমর্থকরা। এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৫৮ হাজার ৪১১জন।

চট্টগ্রাম–১৬ (বাঁশখালী) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী এই আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমানের সাথে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি মুজিবুর রহমানের প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস পাওয়া যাচ্ছে। এই আসনে আওয়ামী লীগের আরেক নেতা আব্দুল্লাহ কবির লিটনও স্বতন্ত্র হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এবার সাংসদ মোস্তাফিজুর রহমানের সাথে স্বতন্ত্র প্রার্থী মুজিবুর রহমান এবং আব্দুল্লাহ কবির লিটনের প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জমে উঠবে এ আসনের ভোটের পরিস্থিতি। ৩ লাখ ৭০ হাজার ৭৭৫ জন ভোটারের এই আসনের কোন ইউনিয়ন কার নিয়ন্ত্রণে থাকবে তা নিয়ে প্রার্থী এবং তাদের কর্মী–সমর্থকরা টেনশনের পাশাপাশি ব্যস্ত সময় পার করছেন।

চট্টগ্রাম–৩ (সন্দ্বীপ) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মাহফুজুর রহমান মিতার সাথে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন বাংলাদেশ স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি ডা. মো. জামাল উদ্দিন চৌধুরী। মোট ২ লাখ ৪১ হাজার ৯১৪ জন ভোটারের এই দ্বীপ উপজেলায় মাহফুজুর রহমান মিতা পরপর দুই বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এবার দুই প্রার্থীই বলতে গেলে কোমর বেঁধে নেমে পড়েছেন নির্বাচনী মাঠে। ভোটারদের মন জয়ে চলছে নানা ধরনের সমীকরণ। ইউপি চেয়ারম্যান, মেম্বার, পৌর মেয়র, কাউন্সিলর, উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যানদের নিজেদের পক্ষে মাঠে নামানোর নানামুখী চেষ্টা চলছে উভয় প্রার্থীর।

প্রসঙ্গত, নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনের ভোট গ্রহণ ৭ জানুয়ারি।

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn