ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৪ ২:১৮ পূর্বাহ্ণ

কাউন্সিলর, ওয়সিম ও স্ত্রীসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা

 নির্বাচনের দিন গত ৭ই জানুয়ারি ভোটকেন্দ্রে পিস্তল উঁচিয়ে গুলি ছুড়ে ভাইরাল হওয়া সেই ছাত্রলীগকর্মী শামীম আজাদ ওরফে ব্ল্যাক শামীমসহ ৬জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে চট্টগ্রাম আদালতে। গত ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন চট্টগ্রাম নগরীর পাহাড়তলী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ কেন্দ্র এলাকায় গোলাগুলির ঘটনায় দায়ের হওয়া এ মামলায় সাবেক কাউন্সিলর মোহাম্মদ হোসেন হিরণকেও আসামি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সালাউদ্দিনের আদালতে আহত শান্ত বড়ুয়া প্রকাশ পুনাম বড়ুয়া বাদি হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। এদিন গোলাগুলিতে ওমরগণি এমইএস কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র শান্ত বড়ুয়া গুলিবিদ্ধ হন।

nagad

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সালাউদ্দিন মামলাটি গ্রহণ করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট চতুর্থ আদালতের বেঞ্চের সহকারী তরিকুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘পাহাড়তলীতে ভোটের দিনের ওই ঘটনায় আদালতে মামলার আবেদন করা হয়।’ মামলার এজাহারে শান্ত নিজেকে চট্টগ্রাম-১০ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মঞ্জুর আলমের সমর্থক বলে পরিচয় দেন।

অভিযোগে বলা হয়, ভোটের দিন পাহাড়তলী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ এলাকায় আওয়ামী লীগ প্রার্থী মহিউদ্দিন বাচ্চু ও স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক সিটি মেয়র মোহাম্মদ মঞ্জুর আলমের সমর্থকদের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।

সংঘর্ষের অগ্রভাগে ছিলেন মঞ্জুর সমর্থক ওয়াসিম উদ্দিন ও বাচ্চুর সমর্থক মোহাম্মদ হোসেন হিরণ। ওয়াসিম উদ্দিনের সমর্থক শামীম আজাদ নামে এক ছাত্রলীগ কর্মী অস্ত্র হাতে নিয়ে একটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয় ঘটনার পর। এ ঘটনায় শান্ত বড়ুয়া ছাড়া এক রিকশাচালকও গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

ঘটনার একদিন পর ৮ জানুয়ারি জামালের স্ত্রী বাদি হয়ে শামীম আজাদ ওরফে বর‌্যাক শামীম, বর্তমান কাউন্সিলর ওয়াসিম উদ্দিন ও তার স্ত্রী রুমানা চৌধুরীকে আসামি করে নগরীর খুলশী থানায় মামলা করেন। এর আগে ৯ জানুয়ারি সীতাকুণ্ড থেকে শামীম আজাদ ওরফে ব্ল্যাক শামীমকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। এরপর ১১ জানুয়ারি মোহাম্মদ হোসেন হিরণসহ ৬জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন শান্ত বড়ুয়া।

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn