ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৪ ১২:৩৪ অপরাহ্ণ

দুদক কর্মকর্তার মৃত্যু আরেক আসামি গ্রেফতার

জাহিদ হোসেন

নগরের চান্দগাঁও থানায় পুলিশ হেফাজতে দুদকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছৈয়দ মোহাম্মদ শহীদুল্লাহর মৃত্যুর ঘটনায় আরেক আসামি গ্রেপ্তার হয়েছে। তার নাম মো. লিটন (৪৮)।

মঙ্গলবার দুপুরে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) চট্টগ্রাম মেট্রো ইউনিট তাকে গ্রেপ্তার করেছে বলে নিশ্চিত করেছেন পরিদর্শক মো. ইলিয়াস খান।

nagad
nagad

সিভয়েস২৪-কে তিনি বলেন, ‘গতকাল দিবাগত রাত দুটার দিকে চকবাজার এলাকা থেকে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছৈয়দ মোহাম্মদ শহীদুল্লাহর মৃত্যুর ঘটনায় মামলার আরেক আসামি লিটনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’

গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর রাতে চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়া এলাকা থেকে জসিম (৩৭) নামে এক আসামিকে গ্রেপ্তার করে পিবিআই। ওই বছরের ১৬ অক্টোবর চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ ড. বেগম জেবুননেছার আদালতে ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন শহীদুল্লাহর স্ত্রী ফৌজিয়া আনোয়ার। আদালত চান্দগাঁও থানাকে মামলাটি রেকর্ড করার আদেশ দেন।

মামলার আসামিরা হলেন- চান্দগাঁও থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খাইরুল ইসলাম, সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মো. ইউসুফ, এএসআই সোহেল রানা, থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মবিনুল হক, চান্দগাঁও থানা এলাকার বাসিন্দা এস এম আসাদুজ্জামান, মো. জসীম উদ্দীম, মো. লিটন, রনি আক্তার তানিয়া ও কলি আক্তার।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, এস এম আসাদুজ্জামান, জসীম উদ্দিন, মো. লিটন ষড়যন্ত্র করে শহীদুল্লাহর জায়গা দখলের জন্য মিথ্যা মামলাটি করিয়েছেন। আর সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. হারুনর রশিদ নিয়মবহির্ভূতভাবে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করিয়ে গ্রেপ্তার করে নাজেহাল ও শারীরিক এবং মানসিক নির্যাতন করায় ভুক্তভোগীর মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার দিন দুই এএসআই ইউসুফ ও সোহেল রানা দুদকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শহীদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করতে গেলে তিনি নিজের পরিচয় দিয়ে পরদিন আদালতে হাজির হওয়ার কথা জানান।

কিন্তু তারা কোনো কথা না শুনে এবং ওষুধ সেবন করতে না দিয়ে জোর করে টানাহেঁচড়া করে শহীদুল্লাহকে থানায় নিয়ে যান। দুই এএসআই এবং পরিদর্শক (তদন্ত) শহীদুল্লাহকে থানায় ওসির কক্ষে নিয়ে নানাভাবে হেনস্তা করেন বলে অভিযোগে বলা হয়।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ৩ অক্টোবর রাতে নগরের এক কিলোমিটার এলাকায় বাসার কাছে রাস্তা থেকে একটি সিআর মামলায় দুদকের সাবেক উপ-পরিচালক সৈয়দ মো. শহীদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করে চান্দগাঁও থানা পুলিশ। থানায় পুলিশ হেফাজতে অসুস্থ হলে পার্কভিউ হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn